স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম রবিবার জানিয়েছে, বর্তমানে ঢাকার হাসপাতালে দুজনসহ মোট তিনজন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অধিদপ্তরের সর্বশেষ বার্তা অনুযায়ী, রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের
দেশে করোনাভাইরাসে আরও তিনজন আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন নারী ও দুজন পুরুষ। আশার বিষয় হচ্ছে- প্রাণঘাতী এ সংক্রমণে নতুন করে কোনো মৃত্যুর খবর নেই। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭
করোনাভাইরাস ‘সন্দেহে’ সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসোলেশনে থাকা যুক্তরাজ্যফেরত এক নারীর (৬১) মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় তার মৃত্যু হয়। সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মন্ডল বলেন,
করোনাভাইরাসের মহামারি ঠেকাতে গিয়ে পৃথিবী ক্রমে অবরুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। একটি রোগ ঠেকানোর ক্ষেত্রে পুরো বিশ্ব যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তা নজিরবিহীন। তবে এর শেষ কোথায়? মানুষ কবে নাগাদ প্রতিদিনের স্বাভাবিক জীবনে
এখন থেকে আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহ দেশের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক সময়। এর মধ্যেই দেশের বিভিন্ন স্থানে সামাজিকভাবে নতুন করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা আছে। গতকাল পর্যন্ত যারা আক্রান্ত দেশ থেকে
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) নির্বাচন প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়াবে বলে মন্তব্য করেছেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। শুক্রবার আইইডিসিআরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য
দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে খুব দ্রুত। ইতিমধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা। এ অবস্থায় দেশে আগামী এক সপ্তাহ করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য খুব
দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার ওষুধ, কাঁচামাল, মুদি দোকান বাদে সব দোকানপাট ও গণপরিবহন বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান জরুরি সংবাদ সম্মেলন
বিশ্বব্যাপী মহাবিপর্যয় নামিয়ে এনেছে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস। এরইমধ্যে বিশ্বের ১৭২টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাসটি। ইতোমধ্যে আক্রান্ত হয়েছে দুই লাখ ১৯ হাজার ৩৬৫ জন মানুষ। মৃত্যু হয়েছে ৮ হাজার ৯৭০ জনের।
ফরিদপুরে গত ১ মার্চ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত বিদেশফেরত তিন হাজার ৮৩৫ জন। বিদেশফেরত প্রবাসীরা তাদের নিজ উদ্যোগে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার কথা থাকলেও তারা সেই নির্দেশনা মানছেন না। করোনাভাইরাস ছড়ানোর