লাইট নিউজ প্রতিবেদক : করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে সৌদি আরবে আটকে পড়া ১৪৪ বাংলাদেশি ওমরাহ এবং সৌদির বিভিন্ন কারাগারে থাকা ১৬৮ প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত
জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস মঙ্গলবার বলেছেন, করোনাভাইরাস নিয়ে বিশ্বে ক্ষতিকারক স্বাস্থ্য পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। করোনার সঙ্গে মারাত্বকভাবে লড়াই করছে মানুষ। পাশাপাশি আমরা আরেকটি মহামারি দেখছি সেটি হলো গুজব। এই গুজবের
লাইট নিউজ ডেস্ক : করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ও আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় হিমশিম খাচ্ছে গোটাবিশ্ব। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে প্রতিনিয়তই বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। তবে এ ভাইরাস মোকাবিলায় চমক দেখাচ্ছে এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়া। কোভিড-১৯ মহামারি
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে পাঁচ শতাধিক বাংলাদেশি আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ মঙ্গলবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর ইউএনবি।
লাইট নিউজ ডেস্ক : করোনা ভাইরাসের মারাত্মক আক্রমণে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যেভাবে আমেরিকা সহ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে তা নিয়ে রীতিমতো ক্ষোভপ্রকাশ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কাঠগড়ায় তুলেছেন বিশ্ব
যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ হাজার ১২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটিতে একদিনে এটাই সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা। ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ২৬
নতুন করোনাভাইরাস উচ্চ তাপমাত্রায়ও দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন ফ্রান্সের একদল বিজ্ঞানী। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (১৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় এই ভাইরাসকে রেখেছিলেন তারা;
নতুন করোনাভাইরাস উচ্চ তাপমাত্রায়ও দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন ফ্রান্সের একদল বিজ্ঞানী। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (১৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় এই ভাইরাসকে রেখেছিলেন তারা;
বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারীতে যুক্তরাষ্ট্র বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে রয়েছে। এর মধ্যে নিউইয়র্ক যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। পার্শ্ববর্তী রাজ্য নিউজার্সির অবস্থাও শোচনীয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ১৩ এপ্রিল রাত পর্যন্ত আরও ছয়
বাইশ হাজার পেরিয়ে কিছুটা গতি কমেছে আমেরিকার মৃত্যুমিছিলের। স্পেনও দাবি করেছে, দৈনিক মৃতের সংখ্যা এখন কিছুটা কম। একই কথা জানাচ্ছে ইতালি, ফ্রান্সও। যার জন্য ইউরোপের কম ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো গৃহবন্দি থাকার