শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২১ অপরাহ্ন

ভাইরাসটি দুর্বল হয়ে পড়েছে

জনশক্তি ডেস্ক
  • আপডেট সময়: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২০ ৩:৪৬ am

আর্জাতিক ডেস্ক | লাইট নিউজ ; ভারতের হায়দরাবাদে অবস্থিত এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজির (এআইজি) চেয়ারম্যান ও পদ্মভূষণপ্রাপ্ত জি পি নাগেশ্বর রেড্ডি বলেছেন প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসকে জয় করা সম্ভব।

দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি কোভিড-১৯ নিয়ে বেশকিছু আশার কথা শুনিয়েছেন যা মানুষের মনে চেপে বসা ভীতি দূর করতে পারে।

তিনি বলেন, এই ভাইরাস যখন ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র বা ভারতে ছড়িয়েছে, তখন এর জিনগত কিছু বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত হয়েছে। চারটি দেশ—প্রথমে যুক্তরাষ্ট্র, পরে ইতালি, এরপর চীন এবং চতুর্থত, ভারতে এর জিনগত বৈশিষ্ট্য উন্মোচন করা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, ইতালিতে ছড়ানো ভাইরাসের সঙ্গে ভারতে ছড়ানো ভাইরাসের ভিন্ন বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এর গুরুত্ব অত্যধিক হতে পারে। কারণ, ভারতের ভাইরাসটির স্পাইক প্রোটিনে কিছু কিছু জিনগত পরিবর্তন হয়েছে। স্পাইক প্রোটিনের মাধ্যমেই ভাইরাসটি মানবশরীরের কোষে সংযুক্ত হয়। ভারতের ক্ষেত্রে কম যুক্ত হয়েছে, যার অর্থ, ভাইরাসটি দুর্বল হয়ে পড়েছে। এটা ভারতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।

তুলনামূলক উষ্ণ আবহাওয়ায় এই ভাইরাসের বিস্তার প্রসঙ্গে তিনি জানান, এটা নিয়ে এখনো বিস্তর বিতর্ক আছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটির যে গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে এই ভাইরাসের তাপ অসহনশীলতার বিষয়ে কথা বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, ৩২ ডিগ্রি তাপমাত্রার মধ্যে এটি দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে পারবে না।

করোনা নিয়ে চলমান ভয়ভীতি নিয়ে নাগেশ্বর রেড্ডি বলেন, যে বিষয়ে জোর দেওয়া হচ্ছে না, তা হলো মানসিক স্বাস্থ্য। এই ভীতির কারণে মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। কারণ, যারা মানসিকভাবে শক্ত ও সুখী, তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেশি। সুতরাং ভয় পাবেন না। ঘরে থাকুন, নিজের স্বাধীনতা উপভোগ করুন।

বিশেষজ্ঞ এই চিকিৎসক বলেন, ভারতের ক্ষেত্রে বলা যায়, মে মাসে যখন তাপ আরও বাড়বে, তখন ভাইরাসের সংক্রমণের হার কমে যেতে পারে। তাপমাত্রার একটা ভূমিকা থাকতে পারে। কিন্তু তা হবে মে মাসের পর।

শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© All rights reserved © janashokti

Developer Design Host BD