
দেলোয়ার হোসেন মৃধ্যা, লক্ষ্মীপুর: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে খৈল ভূষির টেন্ডার গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ শিরনামে একাধিক অনলাইন পোটাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদটি আমার দূষ্টিগোছর হয়েছে এর বিপরিতে আমার বক্তব্য হলো, e-gp মাধ্যমে উক্ত টেন্ডার ক্রয় করা হয়েছে, নিয়মের বাধ্যবাধকতার কারনে সর্বনিন্ম ধরদাতাকে work order দেয়া হয়েছে, কোন অনিয়ম করা হয় নাই। সর্বনিন্ম দরদাতা খাদ্য না দিতে পারলে ২য় দরদাতা work order পাবে।
ই-জিপি হলো গন খাতে ক্রয়ের সবচেয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়া।-tender এর মত স্বচ্ছ গণ খাতে ক্রয়ের প্রক্রিয়া রায়পুর হ্যাচারীতে মাএ শুরু হয়েছে। পণ্যে ক্রয়ের ক্ষেত্রে ই-জিপির নিয়ম অনুযায়ী সর্বনিন্ম দরদাতাকে performance security দিয়ে NOA দেওয়া হয়। বরং সর্বনিন্ম দরদাতাকে না দিলেই অনিয়ম হতো।
খাদ্য গ্রহন করারজন্য উপজেলার কর্মকতার সমন্বয়ে শক্তিশালী কমিটি আছে। এ অনিয়মের কোন সুযোগ নাই। অন্যান্য অভিযোগ গুলো(মাছ মারা যাওয়া,রসিদ ছাড়া রেনু বিক্রির) ৪ বছর আগের।
আলহামদুলিল্লাহ, আমার সময়ে (২০১৮ থেকে) রায়পুর হ্যাচারী দেশের মৎস্য সেক্টরের সর্বোচ্ছ রাজস্ব আদায়কারী প্রতিষ্ঠান পরিনত হয়েছে।
একটি কুচক্রী মহল সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করছে ও আমাকে ব্যাক্তিগত ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করছে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাই।
মোঃওয়াহিদুর রহমান
উদ্ধত্বন বৈজ্ঞানিক কমকর্তা।
রায়পুর ফিশ হ্যাচারী।
০১৯১২১৪৪৯৯২