
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে এক কলেজ ছাত্রী ধর্ষণের স্বীকার হয়েছে। এ ঘটনায় ধর্ষিতা বাদী হয়ে থানায় মালায় করেছে। এ ঘটনায় ১৫ জুলাই মামলার আসামী বাপ্পি চন্দ্র দে কে কিলোরগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর দিকে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন করার মামলায় উপজেলার তারুন্দিয়া ইউপির বাকুলিয়া পাড়া গ্রামের স্বামী জাহাঙ্গীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
কলেজ ছাত্রী ধর্ষণের মামলার এজাহার সূত্র ও তদন্ত কারী কর্মকর্তা এস আই তানজিন জানান, উপজেলার রাজিপুর ইউনিয়নের বৃদেবস্তান গ্রামের এক কলেজ ছাত্রীকে বিয়ে করার প্রলোভনে তাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ধর্ষিতা নিজেই বাদী হয়ে সোমবার বাপ্পিকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করে। বুধবার ধর্ষক বাপ্পিকে কিশোরগঞ্জ পৌর মার্কেট থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান।
স্ত্রীর যৌতুকের মামলায় গ্রেফতার স্বামী
এদিকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন করার মামলায় পুলিশ যৌতুক লোভি স্বামীকে গ্রেফতার করেছে। জানাযায়, উপজেলার তারুন্দিয়া ইউপির বাকুলিয়া পাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর পাশের উপজেলার গৌরীপুরের চুড়াইল গ্রামের আমজাদ হোসেনের কন্যা সৃতি আক্তারকে ১ লাক টাকার যৌতুক নিয়ে বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকে স্বামী জাহাঙ্গীর সৃতিকে বাবার বাড়ি থেকে আরও যৌতুকের টাকা এনে দেয়ার জন্য তাকে প্রায়ই নির্যাতন করতো। গত ১০ জুলাই জাহাঙ্গীর তার স্ত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে দেড় লাখ টাকা এনে দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করলে সৃতি টাকা এনে দিতে অপারকতা প্রকাশ করলে তাকে বেধরক মারধর করে আহত করে। খবর পেয়ে বাবার বাড়ির লোক জন পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঈশ্বরগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় সৃতি আক্তার বৃহস্পতিবার স্বামীসহ ৪ জনকে আসামী করে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা এস আই রেজাউল করিম জানান, বৃহস্পতিবার গাজীপুর থেকে মামলার আসামী জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।